ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির উদ্যোগে ২২ আগস্ট ২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী কুরআনিক ফ্রুটস অ্যান্ড ফুডস ফেস্টিভ্যাল” অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুরআনে বর্ণিত ফল, ফলজ উদ্ভিদ এবং এসব থেকে প্রস্তুতকৃত খাদ্যসামগ্রীর পরিচিতি, পুষ্টিগুণ ও ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিই ছিল এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
বিভাগীয় শিক্ষক ড. ইমতিয়াযুল আলাম মাহফুযের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. চিত্তরঞ্জন মিশ্র। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. হোসনে আরা বেগম।
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি ড. ইশতিয়াকুল আলম মামদূদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার (ডেজিগনেট) প্রফেসর মুহাম্মাদ মুনজুর মুরশিদুল আবেদীন, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. শহীদুর রহমান, আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আবু হানিফ, অর্থ পরিচালক আফসার আলী, বিভাগীয় শিক্ষক প্রফেসর ড. আবূ সাঈদ মো. নুরূল ইসলাম, সাব্বির হাসান, শহীদুল্লাহ, আয়শা সিদ্দিকা, সহকারী পরিচালক জনাব নজরুল ইসলামসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
ফেস্টিভ্যালে মোট ১৪টি স্টলে কুরআনে বর্ণিত ফল ও ফলজ উদ্ভিদ এবং এসব ফল থেকে প্রস্তুতকৃত ৪০টিরও বেশি খাদ্য ও খাদ্যজাত সামগ্রী প্রদর্শন করা হয়। প্রতিটি স্টলে সংশ্লিষ্ট ফলের কুরআনিক উল্লেখ, পরিচিতি, ব্যবহার, পুষ্টিগুণ এবং তা থেকে প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী উপস্থাপন করা হয়। ফলে আয়োজনটি একই সঙ্গে শিক্ষামূলক, ধর্মীয় ও ব্যবহারিক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ ফেস্টিভ্যালের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং কুরআনে বর্ণিত ফল ও এসব ফল থেকে প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীর স্বাদ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও স্টলগুলো পরিদর্শন করেন এবং এ ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কুরআনিক ফ্রুটসের ওপর একটি তথ্যবহুল ডকুমেন্টরি প্রদর্শন করা হয়।
উদ্বোধক প্রফেসর ড. হোসনে আরা বেগম তাঁর বক্তব্যে এ ধরনের আয়োজনকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কুরআনে যেসব খাদ্য ও ফলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর প্রতি মানুষের আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। কুরআনের নির্দেশনা অনুসরণ করে পরিমিত ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে তা মানুষের সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপনে সহায়ক হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. চিত্তরঞ্জন মিশ্র তাঁর বক্তব্যে বলেন, এ ধরনের আয়োজন একদিকে যেমন ধর্মীয় ও জ্ঞানগত দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ, অন্যদিকে এটি স্বাস্থ্যসচেতনতা তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কুরআনে উল্লিখিত ফল ও খাদ্য সম্পর্কে জানা এবং সেগুলোর উপকারিতা সম্পর্কে সচেতন হওয়া মানুষের রোগমুক্ত ও সুস্থ জীবনযাপনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের এ ধরনের সৃজনশীল ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
আয়োজনটি কুরআনের শিক্ষাকে শুধু পাঠ ও আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবন, খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যসচেতনতার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার একটি অভিনব প্রয়াস হিসেবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া সৃষ্টি করে। দিনব্যাপী এ ফেস্টিভ্যালের মাধ্যমে কুরআনে বর্ণিত ফল ও খাদ্য সম্পর্কে নতুন করে জানার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার বিষয়ে সচেতনতারও সৃষ্টি হয়।
বিভাগীয় শিক্ষক ড. ইমতিয়াযুল আলাম মাহফুযের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. চিত্তরঞ্জন মিশ্র। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. হোসনে আরা বেগম।
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি ড. ইশতিয়াকুল আলম মামদূদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার (ডেজিগনেট) প্রফেসর মুহাম্মাদ মুনজুর মুরশিদুল আবেদীন, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. শহীদুর রহমান, আইকিউএসির পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আবু হানিফ, অর্থ পরিচালক আফসার আলী, বিভাগীয় শিক্ষক প্রফেসর ড. আবূ সাঈদ মো. নুরূল ইসলাম, সাব্বির হাসান, শহীদুল্লাহ, আয়শা সিদ্দিকা, সহকারী পরিচালক জনাব নজরুল ইসলামসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
ফেস্টিভ্যালে মোট ১৪টি স্টলে কুরআনে বর্ণিত ফল ও ফলজ উদ্ভিদ এবং এসব ফল থেকে প্রস্তুতকৃত ৪০টিরও বেশি খাদ্য ও খাদ্যজাত সামগ্রী প্রদর্শন করা হয়। প্রতিটি স্টলে সংশ্লিষ্ট ফলের কুরআনিক উল্লেখ, পরিচিতি, ব্যবহার, পুষ্টিগুণ এবং তা থেকে প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী উপস্থাপন করা হয়। ফলে আয়োজনটি একই সঙ্গে শিক্ষামূলক, ধর্মীয় ও ব্যবহারিক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ ফেস্টিভ্যালের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং কুরআনে বর্ণিত ফল ও এসব ফল থেকে প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীর স্বাদ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও স্টলগুলো পরিদর্শন করেন এবং এ ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কুরআনিক ফ্রুটসের ওপর একটি তথ্যবহুল ডকুমেন্টরি প্রদর্শন করা হয়।
উদ্বোধক প্রফেসর ড. হোসনে আরা বেগম তাঁর বক্তব্যে এ ধরনের আয়োজনকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কুরআনে যেসব খাদ্য ও ফলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর প্রতি মানুষের আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। কুরআনের নির্দেশনা অনুসরণ করে পরিমিত ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে তা মানুষের সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপনে সহায়ক হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. চিত্তরঞ্জন মিশ্র তাঁর বক্তব্যে বলেন, এ ধরনের আয়োজন একদিকে যেমন ধর্মীয় ও জ্ঞানগত দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ, অন্যদিকে এটি স্বাস্থ্যসচেতনতা তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কুরআনে উল্লিখিত ফল ও খাদ্য সম্পর্কে জানা এবং সেগুলোর উপকারিতা সম্পর্কে সচেতন হওয়া মানুষের রোগমুক্ত ও সুস্থ জীবনযাপনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের এ ধরনের সৃজনশীল ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
আয়োজনটি কুরআনের শিক্ষাকে শুধু পাঠ ও আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবন, খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যসচেতনতার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার একটি অভিনব প্রয়াস হিসেবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া সৃষ্টি করে। দিনব্যাপী এ ফেস্টিভ্যালের মাধ্যমে কুরআনে বর্ণিত ফল ও খাদ্য সম্পর্কে নতুন করে জানার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার বিষয়ে সচেতনতারও সৃষ্টি হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক